![Chithi diyo F img [150ppi, RGB].jpg](https://static.wixstatic.com/media/8b1d4e_fb896ec2a04547a39a1f9567b1d45980~mv2.jpg/v1/fill/w_825,h_591,al_b,q_85,enc_avif,quality_auto/8b1d4e_fb896ec2a04547a39a1f9567b1d45980~mv2.jpg)
চিঠি দিয়ো লাল তারা। শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
দুচোখে সমুদ্র চষার স্বপ্ন নিয়ে চুপিচুপি বাড়ি ছেড়ে চলে যায় বিজন। বহুবছর পর এক বিশেষ কারণে ফিরে এসে দ্যাখে তার দাদার ছেলে রুকু বড়ো সুন্দর হয়েছে। বিজনকে বড্ড ভালোবেসে ফেলে রুকু। আর অমনি আশ্চর্য কত কিছু ঘটতে থাকে ওদের জীবনে। কোন জাদুবলে সমুদ্রের মতোই অপার হয়ে যায় রোজকার বেঁচে থাকবার আনন্দ। কিন্তু এত আনন্দ এত ভালোবাসা তো সহ্য করে না সংসার। ক্রমাগত ভাঙনেই তার আনন্দ। পরিবারে জন্ম নেয় তীব্র টানাপোড়েন। বিজু কি তাহলে চলে যাবে? আর রুকু, সে-ই বা কেমন করে থাকবে তার কাকুমণিকে ছাড়া? বড়ো হওয়ার পথে কোত্থেকে শক্তি পাবে সে?
![Chithi diyo F img [150ppi, RGB].jpg](https://static.wixstatic.com/media/8b1d4e_fb896ec2a04547a39a1f9567b1d45980~mv2.jpg/v1/fill/w_320,h_407,al_c,q_80,usm_0.66_1.00_0.01,enc_avif,quality_auto/Chithi%20diyo%20F%20img%20%5B150ppi%2C%20RGB%5D.jpg)
মূল্য : ₹ ২৫০
শিপিং : ₹ 0
প্রচ্ছদ : শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়
মণিকর্ণিকা প্রকাশনী
Call & WhatsApp : 8240333741
❛ মাওফ্লাং অরণ্যের গান
_________________________
শিলং থেকে পঁয়তাল্লিশ কিলোমিটার দূরে রয়েছে মাওফ্লাং অরণ্য। সে এক পবিত্র বন। ওখানকার খাসি উপজাতির লোকজনেরা বুক দিয়ে আগলে রাখে এই অরণ্যের প্রত্যেক প্রাণী, প্রত্যেক গাছকে। এই গায়ক কল্পনা করেছে ওই পবিত্র অরণ্যের গাছগুলো যদি শব্দ করে গাইতে পারত তাহলে এই গানটা গাইতঃ
যে গান আমি ভালোবাসি
যে গান আমি ভালোবাসি
যে গান আমাকে গভীরভাবে ভাবায়
যে আমাকে ডাকে, আমাকে দেখিয়ে নিয়ে চলে পথ
কাল যেমন প্রাচীন সে ঠিক ততখানিই বুড়ো
চারটে ঋতুর পরেও সে বেঁচে থাকে
পৃথিবীর গভীর থেকে ফুটে ওঠে সে
দোতারার বুক থেকে উঠে সে বয়ে যায়
প্রকৃতির ভেতর তার প্রতিধ্বনি পাবে
দ্যাখো, কেমনভাবে উঠছে সে দোতারা থেকে
সে মিশে যাচ্ছে শিরায় শিরায়
সে চলে যাচ্ছে আত্মার গহনে
নিঃসাড়ে, বড়ো নিঃসাড়ে
সে মেলে ধরবে ডানা
আর শান্ত হয়ে বসবে
জলের ওপর, ডাঙার ওপর, বাতাসের পরে।
মাত্র চারখানা মিহিন রেশমতন্তু থেকে
জেগে ওঠা সুর
আমার মাথার ভেতর খেলা করে।
বেজে ওঠে বুকের মধ্যে
সে আমায় ভেতর জাগিয়ে তোলে আশা।
ঠিক যেন জলের প্রবাহ
এক অনন্ত ঘূর্ণন।
নিশিদিন সে বয়ে যায়
আপন খেয়ালে।
যে গান আমি ভালোবাসি
যে গান আমি ভালোবাসি
ছেঁড়া ছেঁড়া বাক্যে গানটা বাংলায় দাদাকে বলে দিল বিজু। একটা বাংলা কবিতার মতো করে। সুজনের ভেতর কবিত্ব জিনিসটা নেই। ওর পছন্দ বেশ যুক্তিগ্রাহ্য কাঠখোট্টা বিজ্ঞান। তবু আজ এই গানটা যেন খানিক স্পর্শ করল সুজনকে। একটা সুর কেমনভাবে ডানা মেলে জলে স্থলে বাতাসে শান্ত হয়ে বসে সেটা ও দেখতে পেল এই মাঠের ওপর। বিজুর শোনানো গানটাকে দেখা যাচ্ছে - সে কাছে, আবার সে দূরেও, এইভাবে একাকার হয়ে আছে।❜